দেশব্যাপী ক্ষেতমজুর সমিতির ‘দাবি দিবস’ পালিত | -1 | SAHIFAT ASSALAM PALESTINE 

Eduardo Ruman (In Memoriam)
Diretor-Presidente
Administrativo e Empreendedor
Denise Ruman
MTB - 0086489
JORNALISTA RESPONSÁVEL
The Biggest and Best International Newspaper for World Peace
BRANCH OFFICE OF THE NEWSPAPER "PACIFIST JOURNAL" in PALESTINE
Founder, President And International General Chief-Director / Founder, President And International General Chief-Director :  Denise Ruman - MTB: 0086489 / SP-BRAZIL
Local Chief-Director - Palestine / Local Chief-Director - Palestine :  OSAMA RBAYAH
Mentor of the Newspaper / Mentor of the Newspaper  :  José Cardoso Salvador (in memoriam)
Mentor-Director / Mentor-Director  :  Mahavátar Babají (in memoriam)
Last Time

-1 / 27/02/2019


দেশব্যাপী ক্ষেতমজুর সমিতির ‘দাবি দিবস’ পালিত

0 votes
দেশব্যাপী ক্ষেতমজুর সমিতির ‘দাবি দিবস’ পালিত

বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি ( ছবি : সংগ্রহীত )

দেশব্যাপী ক্ষেতমজুর সমিতির ‘দাবি দিবস’ পালিত
পল্লী রেশন চালু, লুটপাট-দুর্নীতি বন্ধ, বয়স্কদের জন্য পেনশন স্ক্রীম চালু, সারা বছর কাজের নিশ্চয়তাসহ
গ্রামীণ মজুরদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত কর

পল্লী রেশনিং চালু, গ্রামীণ বরাদ্দ লুটপাট বন্ধ, ক্ষেতমজুরসহ গ্রামীণ মজুরদের অধিকার বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির উদ্যোগে আজ ২৬ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী ‘দাবি দিবস’ পালন করা হয়। দাবি দিবসে দেশব্যাপী জেলা-উপজেলায় ক্ষেতমজুর সমিতি বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি পালন করে। এসব সমাবেশে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ক্ষেতমজুরসহ গ্রামের গরিব মানুষের জন্য ন্যূনতম দামে পল্লী রেশন চালু করে চালসহ খাদ্যদ্রব্য দেওয়ার দাবি করেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গ্রামীণ বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রকল্পের বরাদ্দ লুটপাট হয়ে যায়। এই লুটপাটের সাথে জড়িত সরকারি আমলা থেকে শুরু করে গ্রামীণ টাউটরা। ফলে প্রতি বছর বাজেটে গরিব মানুষের জন্য যে সামান্য বরাদ্দ রাখা হয় তাও সেসব মানুষের হাতে পৌঁছায় না। নেতৃবৃন্দ লুটপাট-দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সকলেরর প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশসমূহ থেকে বয়স্কদের জন্য পেনশন স্ক্রীম চালু, ক্ষেতমজুরদের সারা বছর কাজ ও মজুরির নিশ্চয়তা, দেশের সকল উপজেলায় “১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি” চালু করে শ্রমিকের সংখ্যা ও মজুরি বৃদ্ধির দাবি জানান। এছাড়া গ্রামীণ কর্মসূচি ও প্রকল্পের বরাদ্দ বৃদ্ধি, বিনামূল্যে শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চত করা, সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানো, ভ‚মিহীনদের খাস জমির বরাদ্দ নিশ্চিত করা, নারীদের সমকাজে সমমজুরি নিশ্চয়তা, সামাজিক নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা, খাইখালাসি ধরনের আইন করে এনজিও ঋণ মওকুফ, মজুরদের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় এক অঙ্কের সুদে আমানতবিহীন ঋণ চালু করা, ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষাসহ বিভিন্ন দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, গ্রামের ক্ষেতমজুররা গ্রামে সারাবছর কাজ না থাকায় তাঁদের শহরে নানা কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে নতুন এলাকায় কাজ করতে গিয়ে তাঁরা নানা নির্যাতন, শোষণের শিকার হচ্ছে। কর্মপরিবেশ না থাকায় দুর্ঘটনায় অনেকে মৃত্যুবরণ করছে। ইদানিং ইটভাটা ও চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে যারা নিহত হয়েছেন তাঁদের বেশিরভাগ গরিব মেহনতী মানুষ। বক্তারা আরও বলেন, গ্রামীণ মজুরদের ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার প্রদানের মধ্য দিয়ে কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
বক্তারা সারাবছর কাজ ও খাদ্যের নিশ্চয়তা দাবি করেন। গ্রামের ক্ষেতমজুরসহ গ্রামীণ মজুররা তাঁদের শ্রমের মধ্য দিয়ে যা উপার্জন করেন তা পরিবারের খাদ্যের নিশ্চয়তার জন্য ব্যয় হয়ে যায়। ফলে পরিবারে সন্তানের শিক্ষা ও তাঁদের চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা হয় না। তাই এই গ্রামীণ মজুরদের শিক্ষা ও চিকিৎসার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গ্রামাঞ্চলে প্রায় সকল মানুষ ঋণে জর্জরিত। তারা এক এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে অন্য এনজিও থেকে এনে তা পরিশোধ করে ক্রমে ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছে। খাইখালাসী ধরনের আইন করে এনজিও ঋণের অত্যাচার থেকে গ্রামের এসব অসহায় মানুষকে মুক্ত করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, পৃথিবীর সকল দেশেই বয়স্ক নাগরিকদেরকে সম্মানের সাথে দেখা হয় ও সুবিধা দেয়া হয়। কিন্তু আমাদের দেশে বয়স্ক নাগরিকরা পরিবারের বোঝা হয়ে যায়। তাঁদের কর্মক্ষমতা না থাকায় আয় করতে পারেন না। ফলে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে তাঁদের সম্মান বিনষ্ট হয় ও অর্থনৈতিক চাপে তাঁদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। অথচ তাঁদেরই কর্মক্ষম সময়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে এসেছে। তাই বয়স্ক নাগরিকদের জন্য অবিলম্বে পেনশন স্কীম চালু করে তাঁদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে বয়স্ক ও বিধবা ভাতা বৃদ্ধি করে বাঁচার মতো সম্মানী দাবি করেন নেতৃবৃন্দ।
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় এসব বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯


Comentários
0 comentários


  • Enviar Comentário
    Para Enviar Comentários é Necessário estar Logado.
    Clique Aqui para Entrar ou Clique Aqui para se Cadastrar.


Ainda não Foram Enviados Comentários!


Copyright 2019 - Jornal Pacifista - All rights reserved. powered by WEB4BUSINESS

Inglês Português Frances Italiano Alemão Espanhol Árabe Bengali Urdu Esperanto Croata Chinês Coreano Grego Hebraico Japonês Hungaro Latim Persa Polonês Romeno Vietnamita Swedish Thai Czech Hindi Você